দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা কার্যত কোনো ফল দিতে পারেনি। ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, তারা আগামী দিনে ইসলামাবাদে কোনো কর্মকর্তা পাঠাবে না।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি শর্তগুলো ইরানের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য নয়’, যার ফলে বর্তমান কাঠামোর অধীনে আলোচনার সব পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে তুরস্ক ও মিশর এখন ইসলামাবাদের বাইরে নতুন বিকল্প খুঁজছে। সম্ভাব্য নতুন কেন্দ্র হিসেবে কাতার ও ইস্তানবুলকেও বিবেচনা করা হচ্ছে।
এর আগে খবর পাওয়া যায়, যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে তেহরান হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে পারে এমন একটি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গোপন আলোচনা চলছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে কথা বলেছেন। একই দিনে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ইরানের প্রেসিডেন্টই মূলত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছেন, তবে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ ‘অবাধ, মুক্ত ও নিরাপদ’ না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রস্তাবটি বিবেচনা করবেন না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির দাবিটি ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’। এছাড়াও ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সের অজ্ঞাত সূত্র জানিয়েছে, গত বুধবার তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছিল, যা তেহরান প্রত্যাখ্যান করেছে।
এই পরিস্থিতি ইরান-মার্কিন সংঘাতের কূটনৈতিক পথকে জটিল করে তুলেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে।
এমএস/